Ancient Indian History – vedic period analysis for WBCS,Rail,Bank,SSC and other competitive exams

CategoriesAncient Indian HistoryTagged , ,

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সমূহ :

দেশীয়  সাহিত্যিক উপাদান সমূহ ——   

  • বেদ ও বৈদিক সাহিত্য —— এর রচনা কাল খ্রিস্ট পূর্ব ১৫০০ থেকে ১০০০ এর মধ্যে। চার প্রকার বেদ হল -ঋক ,সাম ,যজু ,অথর্ব। ঋগ্বেদ হল পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ।(vedic period)

                 ঋকবেদ : – ১০২৮ টি শ্লোক রয়েছে।  দশ টি মন্ডলে বিভক্ত। দশম মন্ডলে পুরুষসূক্তে চার বর্ণের কথা বলা আছে।  তৃতীয় মন্ডলে গায়ত্রী মন্ত্র উল্লেখ আছে যা সাবিত্রী কে উদ্দেশ্য করে। সরস্বতী নদীকে এখানে পবিত্র নদী বলা হয়েছে। 

                সামবেদ : – এই বেদ গানের সমাহার। সামবেদের মন্ত্র উচ্চারণ করা হত উদ্গাত্রী দের দ্বারা। ধ্রুপদ এই বেদ থেকে উৎপত্তি বলে ধরা হয়।  

               যজুর্বেদ  : – জাগযজ্ঞের মন্ত্র উল্লিখিত আছে এবং অনার্য দের বিভিন্ন রীতিনীতি উল্লিখিত রয়েছে। এটি দুটি ভাগে বিভক্ত -১) শুক্লযজুর্বেদ ও ২) কৃষ্ণযজুর্বেদ। 

               অথর্ববেদ :- বিভিন্ন রকমের জাদু বিদ্যা ,তন্ত্র বিদ্যা সম্পর্কিত তথ্য আছে। 

  •   বেদাঙ্গ: –    ছয়টি বেদাঙ্গ রয়েছে।  এগুলি হল – শিক্ষা ,ছন্দ , ব্যাকরণ,নিরুক্ত ,জ্যোতিষ ও কল্প। 
  •   পুরান : – মোট পুরাণের সংখ্যা হল ১৮ টি। 
  •   উপনিষদ :- ১০৮ টি উপনিষদ রয়েছে। যার সময়কাল হল ৮০০ BC থেকে ৫০০ BC .
  • মহাকাব্য :- মহাকাব্য হল দুটি।  ১)বাল্মীকি রচিত -রামায়ন (রচনাকাল – খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী   ) ২) বেদব্যাস রচিত – মহাভারত (রচনাকাল – খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী। )
  • রামায়নের শ্লোক সংখ্যা – ২৪০০০। 
  • মহাভারতের শ্লোক সংখ্যা – ১০০০০০। 

                                   বৈদিক সূত্র সাহিত্য

উপনিষদের গভীর তত্ব গুলির আলোচনা ও ব্যাখ্যা থেকে ষড় দর্শনের উৎপত্তি।

  1. কপিলের ————-সাংখ্য দর্শন। 
  2. পতঞ্জলির ————-যোগ দর্শন। 
  3. গৌতমের ————-ন্যায় দর্শন। 
  4. কনাদের ————–বৈশেষিক দর্শন। 
  5. জৈমিনির ————-পূর্ব মীমাংসা। 
  6. বেদব্যাস—————উত্তর মীমাংসা। এর অন্তর্ভুক্ত। 

                                                       বৈদিক দেব -দেবী (gods of vedic period)

  1. মূলত প্রকৃতির পূজার চল ছিল। 
  2. ঋক বেদে ইন্দ্রকে পূরন্দর বলে বলা হয়েছে। (যুদ্ধ ও বৃষ্টির দেবতা )
  3. ২৫০টি মন্ত্র ইন্দ্রকে উদ্দেশ্য করে রচনা করা আছে ঋকবেদে। 
  4. দ্বিতীয় স্থানে আছেন  অগ্নি। (আগুনের দেবতা )
  5. ২০০টি মন্ত্র অগ্নি কে  উদ্দেশ্য করে  রচনা করা আছে ঋকবেদে।
  6. তৃতীয় স্থানে রয়েছেন  বরুন। ( জলের দেবতা )

         দেবীরা ছিলেন ————- পৃথিবী ,অদিতি,উষা ,রাত্রি , সাবিত্রী। 

                            বৈদিক সামাজিক ,রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবন 

  • পরিবার ছিল পিতৃতান্ত্রিক  
  • নারীদের স্থান ছিল উচ্চ। বিশিষ্ট নারীরা হলেন ———ঘোষা,অপালা ,লোপামুদ্রা ,গার্গী ,বিশাখা। 
  • গো মাংস নিষিদ্ধ ছিল না। তবে গাভী হত্যা অপরাধ ছিল। 
  • প্রধান খাদ্যশস্য  ছিল গম। পানীয় ছিল সোম ও সূরা। 
  • বর্ণভেদ প্রথা ছিল —–ব্রাহ্মণ ,ক্ষত্রিয় ,বৈশ্য ,ও শূদ্র। 
  • ব্রাহ্মণ ————–ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতেন। 
  • ক্ষত্রিয়————–শাসন ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দায়িত্ত্ব। 
  • বৈশ্য ————–কৃষি ,ব্যবসা বাণিজ্য করতেন। 
  • শূদ্র—————-অপর তিন শ্রেণীর সেবা করা। 
  • রাষ্ট্রের বৃহতম একক ছিল যথাক্রমে গ্রাম ,বিশ ও জন। 
  • গ্রামের প্রধান কে বলা হ্ত ——-গ্রামনি। 
  • বিশের প্রধান কে বলা হ্ত———বিশপতি    
  • জনের  প্রধান কে বলা হ্ত———-গোপ।                                             চার প্রকার সংগঠন বিদ্যমান ছিল —— 
  1. সভা 
  2. সমিতি 
  3. গন 
  4. বিধত 
  • কৃষি কাজে লাঙলের  ব্যবহার ছিল। 
  • কৃষি জাত পণ্য ছিল ——- গম ,ও ধান। 
  • গরু ছিল অতি মূল্য বান। 
  • ঘোড়ার  ব্যবহার ছিল।
  • মুদ্রার ব্যবহার ছিল——– মনা ও নিস্ক। 

About the author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *